বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭ ● ২২ জিলহজ্জ ১৪৪১
চেনা মানুষ অজানা কথা বায়ান্নোর ২১ এবং সিক্সটি টু মাসুম আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ৭১ সংবাদ ডট কম :
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৪০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 62

চেনা মানুষ অজানা কথা বায়ান্নোর ২১ এবং সিক্সটি টু মাসুম আলী

চেনা মানুষ অজানা কথা বায়ান্নোর ২১ এবং সিক্সটি টু মাসুম আলী

চেনা মানুষ অজানা কথা বায়ান্নোর ২১ এবং সিক্সটি টু মাসুম আলী -আজহারুল আজাদ জুয়েল-

মাসুম আলীর পরিচিতি আছে দিনাজপুরের মডার্ণ সিনেমার মেসিন অপারেটর হিসেবে। জন্মস্থান ভারতের হুগলী। বাংলাদেশে এসেছেন ১৯৪৬ এর পর। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জেরে পিতা-মাতার সাথে দিনাজপুরে আসেন। প্রথমে চৌরঙ্গী সিনেমা হলের পেছন দিকে কালু মিয়া নামের এক রাজ মিস্ত্রির বাড়িতে, পরে রামনগর এলাকার বাসের চামুড়িয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। এখন  দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়ায় নিজ বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
মাসুম আলী একজন সাধারন মানুষ। তাই তাকে নিয়ে লেখার কিছু না থাকারই কথা। কিন্তু যখন জানা যায়, তিনি বায়ান্নোর ভাষা শহীদ বরকতের নিকটাত্মীয় এবং ভাষা আন্দোলনে নিজেও কম-বেশি আহত, একুশের ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাভোগী, তখন তাকে নিয়ে কিছু একটা লেখার আগ্রহ তৈরী হয়ে পারে না। 
মাসুম আলীর পিতা মোহাম্মদ আলী, মা মালেকা বেগম। বৃটিশ শাসনামলে তাদের নিবাস পশ্চিম বাংলার হুগলী জেলায়। বায়ান্নোর ভাষা শহীদ বরকতের বাবার নাম শামসুজ্জোহা, মায়ের নাম হাসিনা বিবি। বৃটিশ শাসনামলে তাদের নিবাস  পশ্চিম বাংলার মুর্শিদাবাদে। মালেকা এবং হাসিনা ছিলেন পরস্পর খালাত বোন। সেই সূত্রে মালেকা বেগমের পুত্র মাসুম আলী হলেন শহীদ বরকতের দূর সম্পর্কীয় খালাত ভাই।
হুগলীতে মাসুম আলীর পিতা মোহাম্মদ আলীর স্বর্ণ ব্যবসা ছিল। দিনাজপুরেও এই ব্যবসার পাশাপাশি শুরু করেন বেকারী ব্যবসা। শাখারিপট্টিতে হুগলী নামের একটি বেকারী খুলেছিলেন যা তার মৃত্যুর পর আসমি হোসেন নামে মাসুম আলীর আরেক ভাই চালাতেন। বর্তমানে সেটা না থাকলেও বয়সী লোকদের অনেকেই ‘হুগলী বেকারী’র নাম জানেন।
মাসুম আলীর পিতা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জেরে বাংলাদেশে এলেও শহীদ বরকত এসেছিলেন উচ্চ শিক্ষা নিতে। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি  হয়েছিলেন। পুলিশের গুলিতে ঢাকায় মারা যাওয়ার পর ছেলের কবরের কাছে থাকবার আশা নিয়ে তার মা হাসিনা বিবি অন্য সন্তানদের নিয়ে ১৯৬৩ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং গাজীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। মায়ের আসার আগে ভারতেই মারা গিয়েছিলেন বরকতের শোকাহত পিতা মো: শামসুজ্জোহা ।
ভারত হতে দিনাজপুরে আসার সময় মাসুম আলীর বয়স ছিল ১০। তার আপন মা বেঁচে ছিলেন না। সৎমা ভাল আচরণ করতেন না। তাই মনের দুঃখে কাউকে না জানিয়ে ১৯৫০-৫১ সালের দিকে ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। ঢাকায় বসু বাজার লেনের জনৈক মর্তেজ আলীর বাসায় থাকতেন এবং দিন মজুরী করে নিজের পেট চালাতেন। তখনকার ঢাকা প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেই সময় ইত্তেফাক অফিস টিকাটুলিতে ছিল। জগন্নাথ হল, সলিমুল্লাহ হল তখনো ছিল। তখন কমলাপুর রেল স্টেশন ছিল বর্তমান বিআরটিসি বাস স্ট্যান্ডের কাছে, যাা ‘ফুলবাড়ি স্টেশন’ নামে পরিচিত ছিল।
বরকত তখন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে তখন মাস্টার্স পড়তেন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ হন। গুলি বর্ষণে আহত হন মাসুম আলীও। ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনা স্মরণ করে  বলেন, ঢাকায় যাওয়ার আগে মিছিল কি জিনিস জানতাম না। একদিন শুনি সলিমুল্লাহ হল থেকে মিছিল বের হবে। সেই মিছিল দেখার জন্য ছুটে যাই। হাজার হাজার লোক সেদিন মিছিল নিয়ে ঢাকার শহর কাঁপিয়ে দেয়। সেই ছিল আমার দেখা প্রথম মিছিল। বায়ান্নোর মিছিলে অংশ নেইনি, কিন্তু ঘটনার শিকার হয়ে আহত হই এবং কারাবাস করতেও বাধ্য হই। 
মাসুম আলী ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমে গুলিস্তান এলাকায় ছিলাম। সেখান থেকে কিছুক্ষণের জন্য নবাবপুর রোডে যাই। যখন লক্ষিবাজারের দিকে ঘুরতে যাচ্ছি তখন ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে গোলা-গুলির মুখে পড়ি। গুলি হলে শুয়ে পড়তে হয় এমনটা জানা ছিল। আমিও বসে পড়ার চেস্টা করি। যখন কিছুটা বসে পড়তে যাচ্ছি সেই সময়ই গুলিটা আমার মাথায় ছোঁয়া দিয়ে আমার পেছনে দাঁড়ানো একজনকে বিদ্ধ করে। তার নাম ছিল মাসুদ। তিনি মারা যান। তার নাম যে মাসুদ সেটা বুঝতে পারি লোকের ‘মাসুদ মাসুদ’ চিল্লাচিল্লিতে। গুলি লেগে আমার আমার মাথা রক্তাক্ত হয় এবং অল্প সময়ের মধে চেতনা হারিয়ে ফেলি। যখন চেতনা ফিরে আসে তখন নিজেকে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পাই। আমার মাথা ব্যান্ডেজ করা ছিল। প্রায় আড়াই ইি  গভীর ক্ষত হয়েছিল। সেদিন আরো মোট ৫২জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছিল এই হাসপাতাল। আহতদের দেখার জন্য চকবাজার, মিটফোর্ড, ইসলামপুরসহ বিভিন্ন এলাকার হাজারো মানুষে ভরে গিয়েছিল ঐ হাসপাতাল।
গোলাগুলির ঐ ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের গ্রেফতার করে পুলিশ। মাসুম আলীসহ ৫২জন আহত রোগীেেক গ্রেফতার দেখিয়ে সেন্ট্রাল কারাগারে পাঠানো হয়। তখন গণতন্ত্রের মানস পুত্র হিসেবে পরিচিত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীও কারাগারে ছিলেন। তিনি অন্য কয়েদিদের মাধ্যমে নির্দেশনা পাঠিয়েছিলেন, বন্দীরা কেউ যেন ‘দাওয়া, পানি’ না খায়। তার নির্দেশনা মেনে নিয়ে কারাবন্দীরাও দাওয়া, পানি ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেদিন তারা কিছুই খাননি। এ কারণে সরকার বেকায়দায় পড়ে গিয়ে ২৪ ঘন্টা পর সবাইকে ছেড়ে দেয়। মুক্তিলাভের পর বংশালের জেল গেট দিয়ে বর হওয়ার সময় সাধারণ মানুষ ভাষা বন্দীদের ফুলে ফুলে প্রায় ঢেকে ফেলেছিলেন।  
মুক্তির ৬-৭ দিন পর আবার গ্রেফতার করা হয় মাসুম আলীকে। সপ্তাহখানেক কারাভোগের মুক্তি পান। দ্বিতীয় বার গ্রেফতারের কারন আজও জানেন না মাসুম আলী। তবে বুঝতে পারেন যে, একুশে ফব্রুয়ারির জেরেই তাকে পুন: আটক করা হয়েছিল। কারা জীবনের স্মৃতি হাতড়ে বলেন, আমাকে সহ আরো কয়েকজনকে সাধারণ কয়েদী হিসেবে রাখা হয়েছিল। কারাগারের ভেতর আমাদেরকে ডাকা হতো ‘সিক্সটি টু’ বলে। তার মানে আমরা সিক্সটি টু নম্বর মামলার আসামী ছিলাম। 
বরকতসহ ২১ ফেব্রুয়ারির গুলিতে নিহতদের জানাজায় অংশ নিতে পারেন নাই মাসুম আলী এটা জীবনের একটা বড় ট্র্যাজেডি বলে মনে করেন তিনি। তবে বায়ান্নোর ঘটনার পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেয়া শুরু করেন। শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তি, শিক্ষা ব্যবস্থার দাবীসহ বিভিন্ন দাবীতে শ্লোগান দেন।
ভাষা আন্দোলনের পর সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতায় এসেছিলেন আইয়ুব খান। তার অগণতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজসহ এদেশের আপামর জনগণ আন্দোলন শুরু করে। ঠাটারীবাজার এলাকায় একটি মিছিল করার সময় আইয়ুব খানের গাড়ির বহর মিছিলের সামনে পড়ে যায়। এ সময় পুলিশ এ্যাকশনে যতে চাইলেও আইয়ুব খান মিছিলের সামনের কয়েক জনকে ডেকে তাদের দাবী-দাওয়ার কথা শুনতে চান। মিছিলকারিরা তাদের দাবী জানায়। অনেকগুলো দাবীর একটি ছিল ফ্রি প্রাইমারি স্কুল চালুর দাবী। আইয়ুব খান এই দাবী মেনে নেয়ার ঘোষণা দেন।  ১৯৬২ সালে প্রথম বারের মত ফ্রি প্রাইমারি স্কুল চালুও করেন বলে জানান। 
মাসুম আলী আরো জানান, ঢাকায় যাওয়ার পর তিনি একেক সময় একেক রকমের কাজ করতেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকার বিখ্যাত গুলিস্তান সিনেমা হলে মেসিন অপরেটরের কাজ শেখা শুরু করেন। কাজ শেখার সময় তাকে কোন বেতন এমনকি খাওয়াও দেয়া হতো না। তাই দিনের বেলা অন্য কাজ করে নিজের পেট খরচ চালাতেন। রাতে মেসিন অপারেটরের এসিস্ট্যোন্ট হিসেবে কাজ শিখতেন। প্রায় দুই বছর ধরে গুলিস্তানে কাজ শেখার পর মেসিন অপারেটর হিসেবে তার চাকুরি হয় তাজমহল সিনেমা হলে। সেখানে ১৬০ টাকা বেতনে প্রায় ৪ বছর কাজ করার পর দিনাজপুরের মডার্ণ হলের মালিক শামসুজ্জোহার সাথে পরিচয় হয়। শামসুজ্জোহা তাকে তাজমহলের চেয়ে ১০ টাকা বেশি বেতনে মডার্ণ হলে কাজ করার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি হয়ে মাসুম আলী দিনাজপুরের মডার্ণ হলে ১৯৬৩ সালে ১৭০ টাকা বেতনে সিনেমার অপারেটর পদে যোগ দেন। ১৯৬৮ সালে বড় বন্যা শুরুর আগের দিন সুইহারি নিবাসী মনতাজ বেগমের সাথে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। 
মাসুম আলীর বর্তমান বয়স ৮৬ বছরের মত। এত দীর্ঘ সময়ের স্মৃতিতে আছে অনেক কথা। মাওলানা ভাসানীর কথা, বঙ্গবন্ধুর কথা, মুক্তিযুদ্ধ ও তার পূর্ববর্তী উত্তাল আন্দোলনের নানান কথা। তিনি জানান, দিনাজপুরে একবার মাওলানা ভাসানীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসেছিলেন। তাদের জনসভা হয় একাডেমি স্কুল মাঠে। সেই জনসভায় মাওলানা ভাসানী ভাষণ দিতে গিয়ে শেখ মুজিবকে দেখিয়ে দিয়ে বলেন, আমার গলা খারাপ হয়ে আছে, কিছু বলতে পারব না। আমি যে কথাগুলো বলতাম তা শেখ মুজিব বলবে। 
শেখ মুজিব তখনো অপরিচিত মুখ, তরুণ নেতা। মাঝে মাঝে তার নাম শোনা যেত। তখন দু-একজন কানাঘুষা করতে লাগলেন, এই অল্প বয়সী ছেলেটা আবার কি বলবে? কিন্তু মাওলানা ভাসানীর কথা মত যখন তিনি ভাষন দেয়া শুরু করলেন, লোকজন আশ্চর্যজনক ভাবে নীরব হয়ে গেলেন। উপস্থিত জনগণ তার ভাষণ পিন-পতন নীরবতার মধ্য দিয়ে শুনলেন। তার ভাষণ শানার পর অনেকে মন্তব্য করতে করলেন, বাপরে বাপ, উনি এই বয়সেই এত বিপ্লবী! উনি নিশ্চয়ই একদিন বড় নেতা হবেন। 
মাসুম আলী দিনাজপুরে মডার্ণ সিনেমা হলের অপারেটরের কাজের ফাঁকে ফাঁকে মিছিল, মিটিংয়ে অংশ নিতেন। ছয় দফা, স্বাধীকার, উনসত্তুরর উত্তাল আন্দোলনে যুক্ত থাকেন। তার মতে মডার্ণ সিনেমা হলের সামনে বর্তমানে যেটা আধুনিক টেইলার্স, মুক্তিযুদ্ধের আগে সেখানে কাঠের দোতালায় আওয়ামী লীগের নতুন অফিস করা হয়েছিল। লোহার গোলাকার সিঁড়ি দিয়ে নেতা-কর্মীরা অফিসে উঠতেন। দিনাজপুর জেলায় বাংলাদেশের প্রথম পতাকা এখানেই উত্তোলন করেছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী। এরপর স্বাধীন বাংলার পতাকা উঠেছিল জেলা ছাত্রলীগ অফিসে। 
মডার্ণ সিনেমা হলের মালিক শামসুজ্জোহা ছিলেন বিহারি। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে পাকিস্তানে গিয়ে আর আসেন নাই। এসেছিলেন বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর। যুদ্ধকালে সিনেমা হল চালায় জিয়া ও আলী আহমেদ নামের দুজন বিহারি। যুদ্ধ শেষে সিনেমা হলের ভেতর ভারতীয় সেনারা ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করেছিল। ক্যাম্প থাকা অবস্থায় একদিন মাসুম আলী হলে ঢুকতে গেলে ভারতীয় সেনারা ধরে ফেলেন। তবে এই হলের অপারেটর পরিচয় দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়। ভারতীয় সেনারা ক্যাম্প তুলে নিয়ে চলে যাওয়ার পর বাঙালিরা হলটি দখল করে নেয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সরকার সিনেমা হলটি মূল মালিককে ফিরিয়ে দেন। হলটিতে আবারো অপারেটর হিসেবে যোগ দেন মাসুম আলী। বর্তমানে হলটির মূল মালিক বিহারি শামসুজ্জাহার ছেলে পারভেজ সিনেমা হল পরিচালনা করছেন। দিনাজপুরের ছয়টি সিনেমা হলের মধ্যে একমাত্র এই মডার্ণ সিনেমাই এখনো পর্যন্ত টিমটিম করে চালু আছে। তবে বয়সের কারণে মাসুম আলী আর চাকুরি করছেন না। বেঁচে আছেন শুধু গুলিস্তান, তাজমহল, মডার্ণ হল ও রাজনীতির ধূসর দিনের নানান স্মৃতি নিয়ে। 

  আজহারুল আজাদ জুয়েল
 সাংবাদিক, কলামিষ্ট, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক
                                                      
৭১সংবাদ ডট কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


সর্বশেষ সংবাদ
সরকারী কলেজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে একটি অজ্ঞাত মহিলার লাশ পাওয়া গেছে
এনআরবিসি ব্যাংক চালু করেছে ‘প্লানেট প্লাস’-ওয়েব বেইজড কর্পোরেট ব্যাংকিং সার্ভিস
কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে আরও শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হয়েছেন ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা।
হরমুজ প্রণালির কাছে লাইবেরিয়ান একটি তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান।
ভূমধ্যসাগরে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স।
দেশের মানুষকে চিকিৎসার জন্য আর বিদেশ যেতে হবে না :স্বাস্থ্য মন্ত্রী
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
করোনায় আক্রান্তরা ঘ্রাণশক্তিহীন হয়ে পড়ে
করোনায় গরিবদের সাহায্যে দারুণ নজির গড়েছে তুরস্ক (ভিডিও)
চান্দিনায় করোনা প্রতিরোধে থানায় প্রবেশের আগে ধুতে হবে হাত
২৫-৩১ মার্চ দেশের সব দোকান বন্ধ, খোলা থাকবে যেগুলো
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ
করোনা: টেস্ট উদ্ভাবককে গণভবনে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী
আতংকিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন : ওবায়দুল কাদের
Chief Advisor: A K M Mozammel Houqe MP
Minister, Ministry of Liberation War Affairs, Government of the People's Republic Bangladesh.
Editor & Publisher: A H M Tarek Chowdhury
Sub-Editor: S N Yousuf
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ৭১সংবাদ, ২০১৭
প্রধান কার্যালয় : ৫৩, মডার্ন ম্যানশন (১৪তলা), মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০
বার্তাকক্ষ : +৮৮-০২-৯৫৭৩১৭১, ০১৬৭৭-২১৯৮৮০, ০১৮৫৫-৫২৫৫৩৫
ই-মেইল :[email protected], [email protected], Web : www.71sangbad.com