মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৬ আশ্বিন ১৪২৭ ● ৩ সফল ১৪৪২
অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ৭১ সংবাদ ডট কম :
প্রকাশ: রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৪৫ এএম আপডেট: ২৩.০২.২০২০ ১১:০৭ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 561

অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার

অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার

সম্প্রতি প্রতারণা, অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ, মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে জাল টাকা ও ডলারসহ প্রায় সাড়ে নয় লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ওই চারজন হলেন- শামীমা নুর পাপিয়া (২৮), তার স্বামী মফিজুর রহমান (৩৮), মফিজুরের পিএস সাব্বির খন্দকার (২৯) ও পাপিয়ার পিএস শেখ তায়্যিবা (২২)।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় কারওযান বাজার মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন এ সব তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক। 

‘২০১৯ সালের নভেম্বরে হোটেল ওয়েস্টিনের ২১ তলার প্রেসিডেন্ট কক্ষটি ভাড়া নেন পাপিয়া। গত তিন মাসে ওই কক্ষের ভাড়া পরিশোধ করেছেন প্রায় ৮৮ লাখ টাকা। ১৯ তলায় একটি বার রয়েছে, যেটি তিনি পুরোটাই বুক করে নিতেন,

সেখানে প্রতিদিন তিনি আড়াই লাখ টাকা মদের বিল পরিশোধ করতেন। সব মিলিয়ে দেখা যায় গত তিন মাসে তিনি প্রায় ৩ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করেছেন হোটেল কর্তৃপক্ষকে।’- কথাগুলো বলছিলেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, ‘র‌্যাবের গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পারি, একটি প্রতারক চক্র বেশ কিছুদিন ধরে অনৈতিক কাজের আড়ালে মাদক ব্যবসা, অর্থপাচার, জাল টাকার ব্যবসা, জিম্মি করে টাকা আদায়সহ নানান অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। পরে খোঁজ করে একটি চক্রকে শনাক্ত করতে পারি। 

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে নয়াদিল্লিতে যাওয়ার সময় বহির্গমন গেট থেকে চক্রের দুই সদস্য মফিজুর ও সাব্বিরকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিন থেকে দুই নারী প্রতারক পাপিয়া ও তায়্যিবাকে আটক করা হয়। এদের নামে অর্থপাচার মামলা দিয়ে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, ‘পাপিয়ার আয়কর ফাইল তলব করে দেখা যায়, সেখানে তিনি বছরে ২২ লাখ টাকা আয় দেখিয়েছেন। অথচ তার প্রতিদিন বারের বিলই আসে আড়াই লাখ টাকা। এত টাকার উৎস কোথায়? জানতে চাইলে পাপিয়া জানিয়েছেন, যারা হোটেলে আসত তাদের কাছে মেয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। 

এরপর অশ্লীল ভিডিও তুলে ওইসব ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হতো। লোক লজ্জার ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না। এরকম সাতজন উঠতি বয়সী তরুণীর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়েছে। যাদেরকে মাসে ৩০ হাজার টাকা করে দিত সে। বিনিময়ে তাদের ব্যবহার করা হতো। কেউ রাজি না হলে তাদের লাঠি দিয়ে পেটাতেন পাপিয়া। 

আবার কোনো কোনো মেয়ের অশ্লীল ছবি বড়লোক কাস্টমারদের ফোনে পাঠিয়ে দিয়ে লোভ দেখিয়ে আগ্রহ তৈরি করতেন। এরপর ওই লোকগুলো এলে তাদের জিম্মি করা হতো।’

র‌্যাবের অধিনায়ক বলেন, ‘পাপিয়া ও মফিজুর এই দুই স্বামী-স্ত্রী মিলে ঢাকা, গাজীপুর ও নরসিংদীতে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি করেছেন। তাদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, গাড়ি, বাড়ি ও প্লট রয়েছে। ব্যাংকে রয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। তারা অবৈধ অস্ত্র ও গুলির ব্যবসাও করতেন বলে র‌্যাবের কাছে তথ্য রয়েছে।’

কে এই পাপিয়া ?
অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার

অবৈধ অর্থপাচার, জাল টাকা সরবরাহ রাজধানী থেকে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার

যুব মহিলা লীগের পদ বাগিয়ে অভিজাত এলাকায় জমজমাট নারী ব্যবসাসহ ভয়ঙ্কর সব অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন শামীমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউ। নিজেকে পরিচয় দিতেন ক্ষমতার রাঘববোয়ালদের কর্মী হিসেবে।

 রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়ে নেতাদের ফুল দিয়ে সেই ছবিরও অপব্যবহার করতেন তার সব খারাপ কাজে। শুধু গত এক মাসেই এই নারী রাজধানীর অভিজাত এক পাঁচ তারকা হোটেলে বিশাল অঙ্কের বিল পরিশোধ করেছেন।

আর এ অর্থ খরচের কারণেই গোয়েন্দাদের চোখ পড়ে পাপিয়ার ওপর। একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে তার সব অপকর্মের কাহিনি।

জানা গেছে, সব পাঁচ তারকা হোটেলেই ছিল পাপিয়ার এসকর্ট ব্যবসা।

আলোচিত এই নারী হচ্ছেন নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাাদক। তিনি নিজেকে কেন্দ্রীয় নেত্রী হিসেবেও পরিচয় দিতেন। সর্বশেষ প্রচার করতেন সংরক্ষিত এমপি পদ পাচ্ছেন। কিন্তু তা না পেলেও থেমে ছিল না তার অপরাধমূলক কাজকর্ম। গতকাল সকালে স্বামী মফিজুর রহমান চৌধুরী সুমন, সাবিক্ষর খন্দকার (২৯), শেখ তায়্যিবা (২২)সহ আরও দুজন বিদেশে যাওয়ার প্রাক্কালে বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করেছে র‌্যাব।

 শুরুতে পাপিয়া প্রথমে নিজের দাপুটে অবস্থানের পরিচয় দেন। তবে কোনো কিছুতে গুরুত্ব না দিয়ে পাপিয়ার কাছ থেকে র‌্যাব কর্মকর্তারা উদ্ধার করতে থাকেন অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, এই পাপিয়া হেন অপকর্ম নেই, যার সঙ্গে জড়িত নন। পাঁচ তারকা হোটেলে নারী ও মাদক ব্যবসাই তার আয়ের মূল উৎস। দেশের অভিজাত কিছু মানুষ ও বিদেশিরাই এর গ্রাহক

ইন্টারনেটে স্কট সার্ভিস খুলে বসে খদ্দেরদের কাছে তাদের চাহিদামতো সুন্দরী তরুণী পাঠাতেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষিত সুন্দরী তরুণীদের সংগ্রহ করতেন। একপর্যায়ে তাদেরকে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করতেন পাপিয়া। এরই মধ্যে পাপিয়ার কাছ থেকে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত অনেক ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করেছেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। 

গোপন ক্যামেরায় মেয়েদের ছবি ধারণ করে তাদের নিয়মিতভাবে ব্ল্যাকমেইল করতেন তিনি। পাপিয়ার কাছ থেকে উদ্ধারকৃত একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়- পাপিয়া বসে আছেন বাইজিবাড়ির সর্দারনির মতো। তার হাতে মোটা একটি বেতের লাঠি। তার কব্জায় থাকা মেয়েরা কথা না শুনলে পেটাতেন। পাপিয়া একাধিক অভিজাত হোটেলের রুম ভাড়া নিতেন নামে-বেনামে। সর্বশেষ গতকাল পর্যন্ত একটি হোটেলের প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটে তার নামে পাওয়া গেছে। এই পাঁচ তারকা হোটেলে বিভিন্ন মেয়েকে পাপিয়া নিজেই নিয়ে যেতেন। তাদেরকে দিয়ে করাতেন অবৈধ দেহব্যবসা। এরই মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদে সবকিছুই কবুল করেছেন পাপিয়া।

গত ১২ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ৫৯ দিন প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট ভাড়া ছিল পাপিয়ার নামে। ওই ৫৯ দিনে তিনি ৮১ লাখ ৪২ হাজার টাকা নগদ (ক্যাশ) পরিশোধ করেছেন। পাপিয়ার স্বামী সুমন চৌধুরী বেশির ভাগ সময় থাইল্যান্ডে অবস্থান করলেও গত থার্টিফার্স্ট নাইটে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অবস্থান করেন। ওই রাতে তার কক্ষেও চার-পাঁচ জন সুন্দরী নারী ছিল বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। পাপিয়ার সব কর্মকান্ডের অন্যতম অংশীদার তার স্বামী সুমন। একসময় নরসিংদী শহর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলেন সুমন। 

পরে ছিলেন নরসিংদীর প্রয়াত পৌর মেয়র লোকমানের বডিগার্ড। র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফি উল্লাহ বুলবুল জানান, তার বার্ষিক আয় ১৯ লাখ টাকা হলেও পাপিয়া গত তিন মাসে শুধু একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করেছেন! এ ছাড়া তার নামে একটি হোটেলের প্রেসিডেন্ট স্যুট সব সময় বুকড থাকত। ওই হোটেলেই তার নিয়ন্ত্রণে ছিল সাতটি মেয়ে। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, নগদ ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ১১ হাজার ৯১ ইউএস ডলার, বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ বিপুল পরিমাণ জাল মুদ্রা জব্দ করা হয়।

 র‌্যাবসূত্র ও আমাদের নরসিংদী প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যানুযায়ী, নরসিংদী শহর ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মফিজুর রহমান চৌধুরী সুমন। প্রয়াত মেয়র লোকমান হোসেনের দ্বারা রাজনীতিতে হাতেখড়ি। শৈশব থেকেই সন্ত্রাস কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন সুমন। ২০০১ সালে পৌরসভার কমিশনার মানিক মিয়াকে যাত্রা প্যান্ডেলে গিয়ে হত্যার অভিয়োগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই হত্যাকান্ডের এজাহারভুক্ত আসামি সুমন ওরফে মতি সুমন। হত্যাকান্ড ও সন্ত্রাস কর্মকান্ডের ওপর ভর করে তার উত্থান। বছর দশেক আগে প্রেমের সম্পর্কের পর পাপিয়া চৌধুরীকে বিয়ে করেন সুমন। লোকমান হত্যাকান্ডের পর বর্তমান মেয়র কামরুজ্জামানের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। মেয়রের ক্যাডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। 

বছর তিনেক পর পাপিয়া চৌধুরীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। ওই সময় পাপিয়াকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এরপর তারা নরসিংদী ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমান। ঢাকায় এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে। এর পর থেকে পাপিয়া চৌধুরী ও তার স্বামী সুমন ওরফে মতি সুমন রাজধানীর সাবেক এক সংরক্ষিত এমপির আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। ওই এমপির সঙ্গে তার গাড়ির ব্যবসা আছে বলে জানা গেছে। নরসিংদীর শালিদা এলাকায় আরএসএম কার ওয়াশ নামে একটি গাড়ির সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। নরসিংদীতে রয়েছে সুমন ও তার স্ত্রী পাপিয়ার বিশাল কর্মীবাহিনী। নরসিংদী কলেজ শাখা ছাত্রলীগ ও জেলা ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মী যারা তার অনুসারী তারা ‘কিউ অ্যান্ড সি’ ট্যাটু ব্যবহার করেন। মাঝেমধ্যেই তারা বিশাল শোডাউন দেন আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ে। মাস্টারমাইন্ড সুমনের সন্ত্রাসের পাশাপাশি অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

যত সম্পদ : নরসিংদী জেলা শহরে বাগদী মারকাজ মসজিদ এলাকায় একটি পাকা ও আরেকটি সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি আছে পাপিয়ার। সেমিপাকা টিনশেড বাড়িটি তিনি এবং তার অনুসারীরা বিরোধীদের শায়েস্তা করার জন্য টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করেন। একই এলাকার বেলদী মোড়ে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ১০ শতাংশ এবং আরেকটি ৬ শতাংশের মূল্যবান দুটি প্লট রয়েছে। তার শ্বশুরবাড়ি ব্রাহ্মণদীতে স্বামীর দোতলা একটি বাড়ি আছে। রাজধানীর ফার্মগেট ইন্দিরা রোডে ‘রওশন ডমিনো রিলিভো’ বিলাসবহুল ভবনে তার ও তার স্বামীর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

এ ছাড়া তার কালো ও সাদা রঙের দুটি হায়েস মাইক্রোবাস, একটি হ্যারিয়ার, একটি নোয়া ও একটি ভিজেল কার আছে। নরসিংদী শহরে পাঁচটি মোটরসাইকেল রয়েছে বলে জানা গেছে। মোটরসাইকেলগুলো তার অনুসারীরা ব্যবহার করেন। নরসিংদী জেলা শহরে সুমন চৌধুরীর কেএমসি কার ওয়াশ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে। কার ওয়াশ ব্যবসার আড়ালে এখানে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাস কর্মকান্ড চলে। তার স্বামীর মালিকানায় থাইল্যান্ডে একটি বারও আছে। নরসিংদীর এসএমই শাখায় গত বছরের জুন পর্যন্ত ১ লাখ ২৩ হাজার ৮২৯ টাকা জমা ছিল। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের নরসিংদী শাখায় পাপিয়ার হিসাবে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭০ টাকা ছিল। সিটি ব্যাংকে তার তিনটি হিসাব নম্বরের খোঁজ পাওয়া যায়। এর একটিতে ১ লাখ, অন্য দুটিতে ৫০ হাজার ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ডিপোজিট পাওয়া যায়। তার সিটি ব্যাংকের একটি এমেক্স গোল্ড ক্রেডিট কার্ড ও একটি এমেক্স গ্রিন ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। রাজধানীর এফডিসি গেটের সঙ্গে ‘কার এক্সচেঞ্জ’ নামে তার একটি গাড়ির শোরুম আছে বলে জানা গেছে।


এক প্রশ্নের জবাবে শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, ‘পাপিয়া রাজনৈতিক তদবিরের কথা স্বীকার করেছেন। তবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তি কে বা কারা তা জানতে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।’
সূত্র-www.crimesylhet.com
৭১সংবাদ ডট কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বন্ড বাজার নিয়ে দুশ্চিন্তায়
পুঁজিবাজারে ওয়ালটন শেয়ারের লেনদেন শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর
জাতিসংঘের ৭৫তম চলমান অধিবেশনে করোনা ভ্যাকসিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হবে
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দিল
জাতিসংঘের ভার্চুয়াল বৈঠকে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী
দুর্গাপুরে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
প্রায় ৫০ হাজার বিনিয়োগকারী মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করেন যা প্রতিদিন লেনদেনের বাজার মূলধন এর ১০%।
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
এবার ফেঁসে যাচ্ছেন অবৈধ টাকা শিকারী একে এম সাহেদ রেজা, প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক
বগুড়ার শাজাহানপুরে মাস্ক,হ্যান্ডস্যানিটাইজার,সাবান ও করোনা ভাইরাসের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ
ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অভিনেতা কেএস ফিরোজ ইন্তেকাল করেছেন
মাত্র ৩৫ দিনের এক শিশু করোনাকে জয় করেছে।
বেগম খালেদা জিয়ার ১৩তম কারামুক্তি দিবসে রাজশাহী মহানগর যুবদলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল
মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু
Chief Advisor: A K M Mozammel Houqe MP
Minister, Ministry of Liberation War Affairs, Government of the People's Republic Bangladesh.
Editor & Publisher: A H M Tarek Chowdhury
Sub-Editor: S N Yousuf
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ৭১সংবাদ, ২০১৭
প্রধান কার্যালয় : ৫৩, মডার্ন ম্যানশন (১৪তলা), মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০
বার্তাকক্ষ : +৮৮-০২-৯৫৭৩১৭১, ০১৬৭৭-২১৯৮৮০, ০১৮৫৫-৫২৫৫৩৫
ই-মেইল :[email protected], [email protected], Web : www.71sangbad.com