মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৬ আশ্বিন ১৪২৮ ● ১২ সফল ১৪৪৩
শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী
ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল
প্রকাশ: বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০, ৪:০১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 694

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী

একসময় যে বাংলাদেশ ছিল দরিদ্র ও অনুন্নত, সেই বাংলাদেশ এখন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে দৃপ্ত পায়ে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম সফল ও আলোচিত নেত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে একের পর এক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সাফল্যের সঙ্গে তা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। তার অধ্যবসায়ী মনোভাব এবং পরিশ্রমী উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আজ বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হচ্ছে। বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন দেখে বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রসমূহের কর্ণধাররাও বিস্মিত। দেশ আজ আধুনিক অবকাঠামোগত প্রক্রিয়ায় সমৃদ্ধ। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বাংলাদেশকে অন্য এক উচ্চতায় স্থান করে দিয়েছে। শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের উন্নয়নের এক ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত, যা বিশ্বনেতাদের কাছেও আলোচিত।

বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নত দেশের রুটে তুলে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাতদিন পরিশ্রম করে চলেছেন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও মানবতার বিশ্বজননী হিসেবে ইতোমধ্যেই তার ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর দশজন রাজনৈতিক নেতার চেয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন ব্যতিক্রম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপথগামী একপাল নেকড়ের থাবায় বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হন। সে সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে অবস্থান করায় তারা বেঁচে যান। স্বজন হারানোর তীব্র দুঃখবোধ বয়ে বেড়ানোর মতো ধৈর্য নিয়েই তিনি শ্যাওলার মতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভেসে বেড়িয়েছেন। স্বজন হারানো দুই বোন দীর্ঘ ৬ বছর কাটিয়েছেন বিদেশের মাটিতে। একে তো আপনজনরা হত্যার শিকার, তদুপরি বিদেশে একদম স্বজনহীন, কথা বলার লোকও নেই। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও বঙ্গবন্ধুকন্যা ধীরে ধীরে শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন।

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রীপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তৎকালীন এমপি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রীপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তৎকালীন এমপি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তৎকালীন এমপি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

১৯৮১ সালে দেশবাসীর ইচ্ছায় এবং বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের আকুল আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশে ফেরেন। দেশের মাটিতে পা রেখে আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে এতিম শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করেন, ‘তিনিও বঙ্গবন্ধুর মতো জনগণের পাশে থাকবেন, প্রয়োজনে জীবন দেবেন।’ বজ্রকঠিন শপথ নিয়ে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আজ থেকে ৩৯ বছর আগে উদারনৈতিক প্রগতিশীল রাজনৈতিক আবহ ফিরিয়ে আনতে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করার গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে উজ্জীবিত করলেন দলকে, আশ্বস্ত করলেন দেশবাসীকে। এ জন্য পিতার মতোই তিনি নিজ সংসার-সন্তানদের মায়া ত্যাগ করে রাজনৈতিক জীবনের কঠিন পথ বেছে নিলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দিনটি শুধু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেই শুভ সূচনাক্ষণ নয়, বিশ্বের দেশে দেশে নির্যাতন-পীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্যও একটি ইতিবাচক দিন। বাংলাদেশ সেদিন উপলব্ধি করেছে যে, জাতির জনকের কন্যা যখন দেশে ফিরেছেন, তখন পিতৃহত্যার বিচার হবেই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দলের বিজয় আসবেই। তার অদম্য মনোভাব, আপসহীনতা এবং অকুতোভয় নেতৃত্বের দূরদর্শিতাতেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুনরায় দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের মর্যাদা ফিরে পায়। আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের তীব্রতায় এরশাদ সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হয় এবং আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার দলে পরিণত হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার অনমনীয় ভূমিকার কারণে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায়। দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মাইল ফলক হিসেবে বিবেচিত। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার বাস্তবায়ন ঘটে। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও ১৫ দলীয় মহাজোটের সরকার গঠিত হয় এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। শুরু হয় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার। জাতিকে বিচারহীনতা থেকে বেরিয়ে আসার এক উজ্জ্বল উদাহরণ সৃষ্টি করলেন শেখ হাসিনা।

এ দেশের মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ হাসিনাকে বারবার মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছে। স্বৈরাচারী শাসনকালে দলের নেতা-কর্মীদের ওপর চালানো হয়েছে নিপীড়ন-নির্যাতন আর শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলার জন্য বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর অনুগ্রহে প্রতিবারই বেঁচে গেছেন তিনি।

গতিশীল নেতৃত্ব ও আন্দোলনের সফলতায় ২০০৯ সালে তার দল আবার ক্ষমতায় আসে। এরপর আর পেছনে ফিরতে হয়নি আওয়ামী লীগকে। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে পরপর তিনবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন টানা তিন মেয়াদের সরকারের সময় এই সাড়ে ১২ বছরে বাংলাদেশের অকল্পনীয় উন্নয়ন ঘটেছে। বিশেষ করে দেশের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রীস্বৈরাচার বিএনপি-জামায়াত সরকারের মিথ্যা মামলায় কারাভোগের পর মুক্ত হয়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেত্রীবৃন্দের সঙ্গে দেখা করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রীস্বৈরাচার বিএনপি-জামায়াত সরকারের মিথ্যা মামলায় কারাভোগের পর মুক্ত হয়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেত্রীবৃন্দের সঙ্গে দেখা করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

স্বৈরাচার বিএনপি-জামায়াত সরকারের মিথ্যা মামলায় কারাভোগের পর মুক্ত হয়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেত্রীবৃন্দের সঙ্গে দেখা করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থ দফা সরকার গঠনের শুরুতেই মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। অবশ্য ওয়ান-ইলেভেন পরিস্থিতিতে কারাগারে থাকা অবস্থায়ই তিনি ভেবেছেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন করতে পারলে একধরনের উদ্যোগ নিলে দেশকে উন্নয়ন করা যাবে। কী কী উদ্যোগ নিলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দেশে শিশুমৃত্যুর হার কমেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্বের শ্রমবাজারের ব্যাপক বিস্তৃৃতি ঘটেছে। তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে খুবই অনড়। জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন অপরাধী অপরাধীই, কোনো দলের পরিচয়ে ছাড় পাবে না। তিনি পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

তিনি ঢাকাকে দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে ঢাকার বাইরে সাভারে ‘ট্যানারি টাউন’ করেছেন। গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিকেও ঢাকার বাইরে প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক কাজ করছেন। তিনি মনে করেন, দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করতে প্রয়োজন শক্তিশালী স্থানীয় সরকার। তিনি এ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করছেন। মাদকবিরোধী কার্যক্রম বেগবান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি উৎপাদনের লক্ষ্যে নদী-খাল-বিল পুনঃখনন করছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ করছেন শেখ হাসিনা। দলীয় লোকদেরও ছাড় দিতে নারাজ তিনি।

জননেত্রী শেখ হাসিনা গণমানুষের নেত্রী হিসেবে দেশের স্বার্থে বরাবরই আপসহীন ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন। তিনি বিদেশি দাতা সংস্থার রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ঘোষণা দিয়েছিলেন পদ্মা সেতু নিয়ে বিদেশিরা যত ষড়যন্ত্রই করুন না কেন, বাংলাদেশ নিজের টাকাতেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করবে। তার দৃঢ় মনোবলেই নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যার জন্যই সম্ভব হয়েছে। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মোকাবিলা করেই নির্মাণ করছেন পদ্মা সেতু। বিশ্ব অবাক হয়ে দেখছে, বাংলাদেশের মতো দেশ বিশাল পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে।

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী

স্বপ্নাদর্শী শেখ হাসিনা শুধু স্বপ্ন দেখেই প্রশান্তি পান না, তার বাস্তবায়নের মধ্যে তৃপ্তি পান। তিনি বিএনপি-জামায়াতের মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক কায়দায় মোকাবিলা করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও রায় কার্যকর করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ এগিয়ে নেয়া একমাত্র শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে। তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে অনেকবার। গ্রেনেড হামলাও হয়েছে। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন। ঘাতকরা সফল হতে পারেনি। শেখ হাসিনা অমিত সাহসী বিশ্ব নেত্রীর মর্যাদা পেয়েছেন। তিনি দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে জঙ্গিবাদ, দ্বন্দ্ব, হানাহানি, সংঘাত-সংঘর্ষ, বারুদের পরিবর্তে তিনি শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। দেশের জঙ্গিদের তিনি সাহসের সঙ্গে দমন করেছেন।

বাংলাদেশ আজ বিশ্বের জন্য উন্নয়নের রোল মডেল। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২০০০ ডলারের বেশি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হচ্ছে দ্রুত উন্নয়ন। অর্থনৈতিক সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় অনেক এগিয়ে বাংলাদেশ। জাতীয় প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ৮ শতাংশের ওপরে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ধাপে ধাপে পূরণ হয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ ও রূপকল্প ২০২১-এর সব কর্মসূচি। দারিদ্র্য হ্রাস, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ- এসব কারণেই বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে বিশেষ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ যে উন্নয়নের মহাসড়কে উঠতে শুরু করেছে, তার বড় উদাহরণ পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, মেট্রোরেলসহ অনেক অবকাঠামো আজ বাস্তবায়নের মুখ দেখছে। এটি জননেত্রী শেখ হাসিনার সফল উদ্যোগ।

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী রমনা-তেজগাঁও নির্বাচনী জনসমাবেশে শেখ হাসিনার সঙ্গে ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

শেখ হাসিনা: অমিত সাহসী এক বিশ্বনেত্রী রমনা-তেজগাঁও নির্বাচনী জনসমাবেশে শেখ হাসিনার সঙ্গে ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

রমনা-তেজগাঁও নির্বাচনী জনসমাবেশে শেখ হাসিনার সঙ্গে ডা. এইচ. বি. এম. ইকবাল (ফাইল ফটো)

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে তিনি বিশ্বব্যাপী মানবতার জননী হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। করোনাভাইরাস লণ্ড-ভণ্ড করে দিচ্ছে বিশ্বকে। একদিকে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে বিশ্বের দেশে দেশে সরকার ও সাধারণ মানুষ দিশেহারা। জীবন ও জীবিকার এমন সংকটে এর আগে কখনো পৃথিবীকে এতটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। বিশ্বের প্রভাবশালী ও উন্নত দেশ যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, ব্রাজিল, চীন, ভারতসহ প্রায় ২১৩টি রাষ্ট্রের মানুষ আজ করোনায় আক্রান্ত। এর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমেরিকা পর্যন্ত এই সংকট মোকাবিলায় দিশেহারা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই বিচক্ষণতার সঙ্গে দৃঢ় মনোভাবাপন্ন হয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

বিশ্বের অন্যতম সফল নেতা, দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন ছিল গত ২৮ সেপ্টেম্বর। ১৯৪৭ সালে জন্ম নেয়া শেখ হাসিনা শুধু বয়সেই প্রবীণ নন, রাজনীতি, বিশেষ করে ক্ষমতার রাজনীতিতেও একজন প্রাজ্ঞ-অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। তিনি চারবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। দেশে দারিদ্র্যের হার কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে, ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং জেলায় জেলায় ‘অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সুযোগ আরো বিস্তৃত হচ্ছে, যার মূল নায়ক শেখ হাসিনা; যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করছেন।

লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান- দি প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড ও প্রিমিয়ার গ্রুপ।

৭১সংবাদ ডট কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দুর্বল নীতিমালায় চলছে
বাংলাদেশ সাত কারণে বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান
পুঁজিবাজারে লেনদেন সূচকের ইতিবাচক ধারায় চলছে
ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের রাইটের দায়িত্বে বিডি ক্যাপিটাল
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন
নগদ লভ্যাংশ প্রেরণ কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের
এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তার ইউনিট বিক্রি সম্পন্ন
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি, নারায়ণগঞ্জ এর নতুন কমিটি গঠিত
ইটনায় পপি সৌহার্দ্য থ্রি প্রকল্পের সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্টিত
বঙ্গবন্ধু সহচর ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছন্দু মিঞার ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সবুজ সাদা পাখির পদচারনায় মুখরিত পূর্বাচলের ১৬ নং পশী-হারার বাড়ী সরকারি প্রাথমিক স্কুল
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ভূমি দস্যুদের দৌরাত্ব, পুলিশ প্রশাসন নিরব
খুলেছে পূর্বাচলের ১৬ নং পশী-হারার বাড়ী সরকারি প্রাথমিক স্কুল
এবার রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ হবে: জেলেনস্কি
Chief Advisor: A K M Mozammel Houqe MP
Minister, Ministry of Liberation War Affairs, Government of the People's Republic Bangladesh.
Editor & Publisher: A H M Tarek Chowdhury
Sub-Editor: S N Yousuf
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ৭১সংবাদ, ২০২১
Head Office: Modern Mansion 9th Floor, 53 Motijheel C/A, Dhaka-1223
News Room: +8802-9573171, 01677-219880, 01859-506614
E-mail :[email protected], [email protected], Web : www.71sangbad.com