মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ১২ মাঘ ১৪২৮
শিরোনাম: শাবি শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙার অনুরোধ        শাবিপ্রবির আন্দোলনের সাথে জবি শিক্ষার্থীদের সংহতি প্রকাশ, ছাত্রলীগের বাধা        পটিয়ায় দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ       পটিয়ায় ছৈয়দ মোখলেছুর রহমান আল মাইজন্ডারীর বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন       আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের ৮৫ শতাংশই টিকা নেননিঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী        দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু       আ.লীগ বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে কেন, ব্যাখ্যা করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী      
ডিএসইতে Beximco Green Sukuk Al Istisna’a এর লেনদেন শুরু
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২২, ৫:৪২ পিএম |

ডিএসইতে Beximco Green Sukuk Al Istisna’a এর  লেনদেন শুরু

ডিএসইতে Beximco Green Sukuk Al Istisna’a এর লেনদেন শুরু

প্রথমবারের মত দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হলো ইসলামিক শরিয়াহভিওিক Beximco Green Sukuk Al Istisna’a৷ বন্ডটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়ার পর আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আনু্ষ্ঠানিক ভাবে লেনদেন শুরু হয়৷ লেনদেন শুরুর আগে ডিএসই এবং Beximco Green Sukuk Al Lstisna’a এর তালিকাভুক্তিকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়৷ ডিএসই’র পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ডিএসই’র লিস্টিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মোঃ রবিউল ইসলাম এবং Beximco Ltd এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওকে চৌধুরী৷ এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান ফজলুর রহমান, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম৷ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান৷ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান ফজলুর রহমান, এমপি বলেন, শেয়ারবাজারের দুটি বড় দুর্বলতা হলো-একটি কাঠামোগত৷ কারন আমাদের বাজার শুধুমাত্র ইক্যুইটিভিত্তিক বাজার।

এটি একটি বড় দূর্বলতা। তবে বিএসইসির নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর সেটা পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে ডেবথ সিকিউরিটিজ হিসেবে বেক্সিমকো সুকুক বন্ডের লেনদেন শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে ডেট সিকিউরিটিজের মার্কেট‌ আরো বড় হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে ইক্যুইটি ও ডেট মার্কেট রেশিও সমান সমান। অনেক দেশে ডেট মার্কেটে আকার ইক্যুইটির চেয়ে বেশি। তাই আমাদের দেশে ডেট মার্কেটের আকার বাড়াতে হবে। বর্তমান কমিশন বাজার উন্নয়নে বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে৷ আমরা আশা করি কমিশনের এই উদ্যোগের ফলে পণ্য বৈচিএে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে৷ শেয়ারবাজারের দ্বিতীয় বড় দুর্বলতার হলো আমাদের বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বেশী৷ ম্যাচিউরড বাজারে প্রাতিষ্ঠানিকদের লেনদেনের পরিমাণ বেশি হয় এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কম হয়। এমনকি সেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ফান্ডের মাধ্যমে লেনদেন করেন। কিন্তু আমাদের দেশে ঠিক উল্টো। এ কারনে দেশের শেয়ারবাজারে উত্থান-পতন হয় বেশি

। ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে করপোরেট হতে হবে। এখনো আমাদের দেশে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ব্রোকার মনে করা হয়। যে কারনে বিনিয়োগকারীরা নিজেরাই পোর্টফোলিও ম্যানেজ করে। এটা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর করা কথা। কিন্তু এ জন্য ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে সত্যিকারের ইনস্টিটিউট হতে হবে এবং তাদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে সুদ হার ১৭-১৮% বেশি বলে একসময় বলতেন। এই বেশির কারনে খেলাপি ঋণ বেশি হয় বলে জানাতেন তিনি। যে কারনে উনি সুদ হার কমানোর উদ্যোগ নেন। যার ধারাবাহিকতায় সুদ হার সর্বোচ্চ ৯% করে দেন। তিনি বলেন, এফডিআর এর সুদ হার এখন ৬% নিচে। তবে আমাদের সুকুক বন্ড থেকে ৯% হারে দেওয়া হবে। এ কারনে বন্ডটি নিয়ে খুবই আশাবাদি ছিলাম।

কিন্তু পাবলিকদের কাছ থেকে সেভাবে সাড়া পাইনি। তবে প্রাতিষ্ঠানিকদের অংশগ্রহন ভালো ছিল। পাবলিকদের সাড়া না পাওয়ার পেছনে সুকুক বন্ডটির বিষয়ে ভালোভাবে তুলে ধরতে না পারা কারন হিসেবে কাজ করেছে বলে আমার মনে হয়। অথচ এফডিআরওয়ালাদের জন্য সুকুক বন্ডটি খুবই আকর্ষনীয়। বিশ্বের অন্যন্য দেশে ইক্যুইটি ও ডেট মার্কেট রেশিও সমান সমান বলে জানান তিনি৷ অনেক দেশে ডেট মার্কেটে আকার ইক্যুইটির চেয়ে বেশি৷ তাই আমাদের দেশে ডেট মার্কেটের আকার বাড়াতে হবে৷ পরিশেষে, তিনি Beximco Green Sukuk Al Istisna’a তালিকাভুওিতে সহযোগীতার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্য বোড, ঢাকা স্টক একচেজ্ঞ, চট্রগ্রাম স্টক একচেজ্ঞ, ইস্যু ম্যানেজার, ট্র্ষটি সহ বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়্যারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, নতুন পণ‌্য বাজারে নিয়ে এসে বাজার‌কে আরও বে‌শি সমৃদ্ধ করার চেষ্টা ক‌রে যা‌চ্ছে বিএসই‌সি৷ বে‌ক্সিম‌কো সুকুক ব‌ন্ডের মাধ‌্যমে সেই চেষ্টা আরও একধাপ এ‌গি‌য়ে গে‌লো


৷ এভা‌বেই বাজার দীর্ঘ মেয়াদের অর্থায়নের দি‌কে এ‌গি‌য়ে যা‌বে। আমরা শুরু থে‌কেই পন্য বৈচিত্র্যতা বৃদ্ধির কথা ব‌লে আ‌সছি৷ বে‌ক্সিম‌কো সুকু‌কের মাধ‌্যমে তার যাত্র শুরু হ‌য়ে‌ছে৷ ভবিষ্যতে আরো বেশ কিছু পন্য আসতে যাচ্ছে৷ এরমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকেও সুকুক বন্ড ইস্যুর কাজ চলছে৷ নতুন পণ‌্য বাজারে এনে বাজার‌কে আরও বে‌শি সম্মৃদ্ধ করার চেষ্টা ক‌রে যা‌চ্ছে বিএসই‌সি৷ বে‌ক্সিম‌কো সুকুক ব‌ন্ডের মাধ‌্যমে সেই
চেষ্টা আরও একধাপ এগিয়ে গে‌লো৷ এভা‌বেই বাজার লংটা‌র্মের দি‌কে এগিয়ে যা‌বে৷ বিএসইসির চেয়্যারম্যান বলেন, আস্তে আস্তে আমাদের অর্থনীতিকে যে স্বপ্ন নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি সেটা বাস্তবায়িত হবে৷ আমাদের সরকার, মন্ত্রণালয় এবং ব্যবসায়ী যারা এখন খুব সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে৷ এখন আমাদের জনগণ, জনসাধারণ এবং সকলের কাছে একটাই চাওয়া এখন আমাদের একটা স্ট্যাবিলিটি দরকার, বাকিটা পাবলিক- প্রাইভেট সেক্টরই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে৷ অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, বেক্সিমকো গ্রুপ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রথম প্রাইভেট কোম্পানি৷ যারা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের লাইসেন্স পেয়েছে৷ তারপর থেকেই ওনাদের যোগ্য নেতৃত্বে এই কোম্পানিটিকে একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন৷ কর্পোরেট কালচার বলতে আমরা যে জিনিসটা মিন করি এটা কিন্তু ওনারা ৭০ দশকে শুরু করেছেন৷ যেটা আজকেও আমরা অনেক জায়গায় দেখতে পাই না৷ যদিও সে কালচারটা আমাদের খুব দরকার৷ যখন কেউ এই মার্কেটকে চিনত না তখন বেক্সিমকো গ্রুপ এই মার্কেটে এসে অনেক নতুন নতুন ইনোভেটিভ এনে আমাদের দেখিয়েছেন৷ এবং আজকে এই গ্রুপটিই প্রথম সাহসিকতার সাথে নতুন আরেকটি প্রোডাক্ট নিয়ে আসল৷ আমাদের আজকের প্রধান অতিথি (সালমান এফ রহমান) একজন খুবই ইনোভেটিভ এবং সাহসি ব্যবসায়ী৷ তিনি নতুন নতুন ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট নিয়ে আসতে খুবই পছন্দ করেন৷ খালি ক্যাপিটাল মার্কেট নয়, তিনি অন্যান্য আরো অনেক কিছু করার চেষ্টা করছেন যেগুলো বাংলাদেশে প্রথম৷ অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম আরো বলেন, আমরা বার বার যে কথাটা বলছি আউট অব দ্যা বক্সে যেতে হবে, ইনোভেটিভ হতে হবে এবং অন্যের আবিষ্কার, অন্যের কালচার, অন্যের রিসার্চকে আর এখন হবে না, আমাদের নিজস্ব কাজ নিজেদেরই করতে হবে, নিজেরাই ইনোভেটিভ হয়ে নিজেরাই দেশ, মার্কেট এবং সব কিছুই নিজেদেরই তৈরি করার মতো শক্তি সঞ্চয় করতে হবে৷

ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিন৷ আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ডেট মার্কেটের সুকুক বন্ড তালিকাভূক্তি হল৷ বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্বের সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে৷ তুলনামূলকভাবে সব সেক্টরের সূচকের উন্নয়ন হলেও আর্থিক খাতের আশানুরূপ উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়নি৷ বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহনের প্রায় দেড় বছরের মধ্যে বাজার মূলধন গ্রহনের দ্বিগুন করেছে৷ তারপর কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন হয়নি৷ এই পুঁজিবাজারকে আরও অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে যা কাম্য নয়৷ বিনিয়োগকারীগন হল পুঁজিবাজারের প্রাণ৷ তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা দেওয়া হল আমাদের প্রধান কাজ৷ কিছু কিছু ব্রোকারেজ হাউজের বিনিয়োগকারীদের তহবিল তছরূপ হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের সমস্যা তৈরী না হয় বিএসইসি ও ডিএসই কাজ করছে৷ এছাড়াও ডিএসই দেশের সর্বাধুনিক ডাটা সেন্টার তৈরীর কাজ শুরু করেছে৷ আর এই সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফলে দীর্ঘ মেয়াদী পুঁজি উত্তোলনের নিরাপদ ও টেকসই উৎস হবে পুঁজিবাজার৷ অনেক কোম্পানি ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পাইপলাইনে আছে, যাতে কোন রকম বাধা-বিপত্তি ছাড়াই তালিকাভুও হতে পারে সেই সক্ষমতা তৈরী লক্ষ্যে সম্পূন ডিজিটালাইজেশন কাজ শুরু করেছে যা আগামী মার্চ-২০২২ এর মধ্যে শেষ হবে আশা করা যায়৷ তার আগে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভুইয়া স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন৷ স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, বেক্সিমকো-সুকুক আল ইসতিসানা'র উদ্বোধনী লেনদেন  ইস্যুকারী, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের জন্যও একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত৷ আপনি জানেন যে একটি নতুন ইস্যু পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সর্বদা অনেক আগ্রহ ও উদ্দীপনা তৈরি করে৷ এই ইস্যুটি প্রথম ইসলামিয়া শরিয়াহ ভিত্তিক গ্রীন সুকুক ইনস্ট্রুমেন্ট যা আজ থেকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে৷ ডিএসই এই ইন্সট্রুমেন্টের ট্রেডিং সুবিধা প্রদান করার জন্য গর্বিত৷ এটি আমাদের জন্য একটি স্মরণীয় উপলক্ষ্য৷ কারণ আপনারা সকলেই জানেন যে বিএসইসি পুঁজিবাজারে  পণ্য  বহুমুখী করতে নিরলস ভাবে কাজ করছে৷

পুঁজিবাজারে এই বন্ডে তালিকাভুক্তি এই ধরনের বহু বৈচিত্রপূর্ণ সিকিউরিটিজের তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য অবশ্যই পথ দেখাবে৷ এই তালিকাভুক্তি  বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যত সম্ভাবনার নতুর  উন্মোচিত করেছে৷ এই পণ্যটি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য নতুন দিগন্তের সুচনা করেছে৷ যেহেতু বেক্সিমকো লিমিটেড ইতিমধ্যেই ডিএসই এবং সিএসই ছাড়াও লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছে, তাদের কর্পোরেট এক্সপোজার অবশ্যই সামগ্রিকভাবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে, আমরা এটাই কামনা করি৷ সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল মার্কেট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব এরশাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা৷ প্রথমবারের মত ৩,০০০ কোটি টাকার কনভার্টেবল গ্রীন সুকুক বন্ডের যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের সমতুল্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এবং চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এ তালিকাভূক্ত হয়েছে৷ এই সুকুকের অনেক উদ্বাবনী বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ এটি তালিকাভূক্তির পরে কিভাবে প্রতিক্রিয়া করে এবং কিভাবে মূল্য নির্ধারিত হয় তা দেখতে৷ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলন ডিএসইর পরিচালক সালমা নাসরিন, এনডিসি, মুন্তাকিম আশরাফ, মোঃ শাকিল রিজভী, মোহাম্মদ শাহজাহান এবং কোম্পানির পক্ষে ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের গ্রুপ ফাইন্যান্স এবং কর্পোরেট এফেয়ার্স এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা জামান-উল-বাসার, তিস্তা সোলার লিমিটেড এবং করতোয়া সোলার লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. রফিকুল ইসলাম, বেক্সিমকো গ্রুপ এর সেন্ট্রাল একাউন্টস এন্ড ফাইন্যান্স এর এডভাইজার জনাব বি. কে. নাথ সহ বেক্সিমকো গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইস্যু ম্যানেজার সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এরশাদ হোসেন ছাড়াও চীফ অপারেটিং অফিসার শিবলী হোসেন ছাড়াও শিবলী এমরান সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।​

উল্লেখ্য যে, বেক্সিমকো গ্রীন সুকুক আলইসতিসনা হল বাংলাদেশের বেসরকারী খাতের সম্পদ সমর্থিত প্রথম গ্রীন সুকুক৷ এটি কেবলমাত্র একটি শরিয়াহ্ বন্ড যা শরিয়াহ্ বোর্ডের তত্বাবধানে পরিচালিত হবে৷ বন্ডের মেয়াদকাল ৫ বছর৷ গ্রীন সুকুক হোল্ডারদের গ্রীন সুকুকে তাদের নিজ নিজ বিনিয়োগের ১০০% পর্যন্ত ৫ বছরের মধ্যে বেক্সিমকো লিমিটেডের সাধারন শেয়ারে রূপান্তর করার বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে৷ যা প্রতি বছর ২০% হারে হয়৷ গ্রীনসুকুক হোল্ডারগন অর্ধ-বার্ষিক হারে বেইজ রেট এবং মার্জিনের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমিক বন্টনের পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী হবেন৷ এখানে বেইস রেট ৯% এবং মার্জিন রেট বেক্সিমকো লিমিটেডের আগের বছরের এজিএম এ ঘোষিত বেইজ রেট এবং বার্ষিক লভ্যাংশ হারের মধ্যে পার্থক্যের ১০ শতাংশ৷ ইস্যু ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোসেস লিঃ ও অগ্রণী ইক্যুইটি অ্যন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিঃ৷ সুকুকটির ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ৷ সুকুক সম্পর্কিত তথ্যঃ সুকুক ইস্যু সাইজঃ ৩০ বিলিয়ন টাকা, ফেসভ্যালুঃ ১০০ টাকা, ন্যূনতম সাবস্ক্রিপশন সাইজঃ ৫০০০ টাকা, অরগানাইজারঃ বেক্সিমকো লিমিটেড, বেনিফিশিয়ারিঃ তিস্তা সোলার লিমিটেড, কোরোটা সোলার লিমিটেড, বেক্সিমকো লিমিটেড৷






আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
শাবি শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙার অনুরোধ
শাবিপ্রবির আন্দোলনের সাথে জবি শিক্ষার্থীদের সংহতি প্রকাশ, ছাত্রলীগের বাধা
পটিয়ায় দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
পটিয়ায় ছৈয়দ মোখলেছুর রহমান আল মাইজন্ডারীর বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন
আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের ৮৫ শতাংশই টিকা নেননিঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু
আ.লীগ বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে কেন, ব্যাখ্যা করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম অবস্থানে
ব্যাংকও চলবে অর্ধেক জনবলে
হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় এর এমপিএইচ ডিগ্রিপ্রাপ্তদের সার্টিফিকেট প্রদান
স্যামসাং বাজারে আনলো এএমডি আরডিএনএ ২-ভিত্তিক এক্সক্লিপস জিপিইউ যুক্ত এক্সিনোস ২২০০
চোখের আরাম, সুরক্ষা ও রঙের স্পষ্টতার জন্য বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় সার্টিফিকেশন ইনস্টিটিউটসমূহের স্বীকৃতি অর্জন করে নিয়েছে ২০২২ স্যামসাং কিউএলইডি ও লাইফস্টাইল টিভি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৩৮০ টি কোম্পানির ২৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ০৯৬ টি শেয়ার
দেশীয় উদ্যোক্তারা বিদেশে সার কারখানা নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রী
Chief Advisor:
A K M Mozammel Houqe MP
Minister, Ministry of Liberation War Affairs, Government of the People's Republic Bangladesh.
Editor & Publisher: A H M Tarek Chowdhury
Sub-Editor: S N Yousuf

Head Office: Modern Mansion 9th Floor, 53 Motijheel C/A, Dhaka-1223
News Room: +8802-9573171, 01677-219880, 01859-506614
E-mail :[email protected], [email protected], Web : www.71sangbad.com