অভিবাসীদের মনোজগত দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝা যাবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

ঢাকা, ১১ আগস্ট ২০২৬:তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অভিবাসী রাষ্ট্রগুলোর ঐতিহাসিক ও নৃতাত্ত্বিক বাস্তবতার সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার

2026-08-11T19:52:50+00:00
2026-08-11T19:52:50+00:00
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম: মার্কিন অবরোধের মধ্যেই খাড়গ দ্বীপে ইরানের তেল উত্তোলন শুরু      পরিসংখ্যানে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ      ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া      গ্যাস, বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম       দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল      মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের চিঠি      দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সাবেক কর্মপরিষদ সদস্যর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন      
অভিবাসীদের মনোজগত দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝা যাবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম   (ভিজিট : ৪৯)
অভিবাসীদের মনোজগত দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝা যাবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

অভিবাসীদের মনোজগত দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতি বোঝা যাবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আগস্ট ২০২৬:

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অভিবাসী রাষ্ট্রগুলোর ঐতিহাসিক ও নৃতাত্ত্বিক বাস্তবতার সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তাই অভিবাসীদের মনোজগত বা অভিজ্ঞতার চশমা দিয়ে বাংলাদেশের জনমিতিকে বোঝা সম্ভব নয়।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘Indigenous Identity is Irrelevant for Bangladesh’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতিসত্তা কোনো বহিরাগত অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দখল ও উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠেনি; বরং দীর্ঘ নৃতাত্ত্বিক বিবর্তন, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া ও ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে এ দেশের জনগোষ্ঠী ও জাতিসত্তার বিকাশ ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো অভিবাসী রাষ্ট্রগুলোর ইতিহাসে আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ ও দখলের একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা রয়েছে। সেই ইতিহাসের দায় মোচনে এসব রাষ্ট্রের বিভিন্ন সভ্য ও ইতিবাচক উদ্যোগও দেখা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস ও জনমিতির সঙ্গে ওই বাস্তবতার কোনো তুলনা চলে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের কথা বলার সময়, প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময়ও খেয়াল রাখতে হবে, আমরা কোনো পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে এমন একটি শব্দ বা বয়ানকে আবারো জনপ্রিয় করে তুলছি কি না, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রায়শই অপ্রাসঙ্গিক।”

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোনো একক বা একমাত্রিক নৃতাত্ত্বিক পরিচয় নেই। হাজার বছরের ইতিহাসে নানা জনগোষ্ঠীর সংমিশ্রণ ও সাংস্কৃতিক মিথস্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ দেশের সমাজ ও জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে। এই বহুত্বের মধ্য দিয়েই একটি অভিন্ন রাষ্ট্রীয় পরিচয় গড়ে উঠেছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনমিতিকে বুঝতে হলে অভিবাসীদের চশমা দিয়ে দেখা যাবে না। বাংলাদেশের জনমিতিকে বুঝতে হলে আমাদের প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নৃতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারাকে বুঝতে হবে। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠের মনোজগত দিয়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমস্যা সঠিকভাবে বোঝা যাবে না। তিনি এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞানকে বিবেচনায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

নাগরিকত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ  দেশের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নাগরিকত্বের ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদের ধারণাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছিলেন, যা বাংলাদেশের জাতিসত্তার নানা বৈচিত্র্য ও সংকটকে একটি অভিন্ন রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের কাঠামোর মধ্যে ধারণ করতে সহায়তা করেছে। 

বাংলাদেশের বাস্তবতা, ইতিহাস ও জনমিতিকে বিবেচনায় রেখে সঠিক বয়ান উপস্থাপন করা জরুরি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সঠিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া যায়। ভুল উত্তর দিলে তা সংশোধন করা যায়। কিন্তু ভুল প্রশ্নে উত্তর দেওয়ার জন্য নিজেকে যুক্ত না করাই ভালো।”

চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট রিসার্চ এসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। 

গোলটেবিল বৈঠকে আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গবেষক, শিক্ষক, নৃতত্ত্ববিদ, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।








আরও খবর


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com