গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: ধর্মমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ      প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখন জনতার অবিসংবাদিত নেতা-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী      ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন ডিন হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. আজিম এর যোগদান      আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে নবনিযুক্ত ছয় সিটি প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ      ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে ৭ আরোহী নিহত       দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, সংসদ ঠিক করবে : মির্জা ফখরুল      
বিয়ের ২ মাসেই ফিকে ৯ বছরের প্রেম, স্ত্রীর হাতে খুন স্বামী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম  আপডেট: ০২.০২.২০২৬ ৭:১৫ পিএম  (ভিজিট : ১৯৫)

উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ৯ বছরের দীর্ঘ প্রেমের পর হওয়া বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় স্ত্রীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন স্বামী। 

৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্র কুমার যাদবকে গত ২৬ জানুয়ারি ইজ্জতনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। শুরুতে প্রতিবেশীদের জানানো হয়েছিল জিতেন্দ্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘শ্বাসরোধ করে হত্যা’র প্রমাণ মেলায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে এক শিউরে ওঠার মতো তথ্য।

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী গত ২৫ নভেম্বর জিতেন্দ্র এবং জ্যোতির বিয়ে হয়েছিল ছাত্রজীবনের দীর্ঘ সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে। তবে বিয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে তিক্ততা শুরু হয়। 

অভিযোগ রয়েছে, জিতেন্দ্র জ্যোতির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে অনলাইন জুয়ায় হেরে যান, যা নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো। গত ২৬ জানুয়ারি এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছালে জ্যোতি তার বাবা কালীচরণ, মা চামেলি এবং ভাই দীপককে ডেকে পাঠান।

তদন্তে উঠে এসেছে, জ্যোতির পরিবারের সদস্যরা বাসায় আসার পর জিতেন্দ্রর সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে জ্যোতির বাবা, মা এবং ভাই জিতেন্দ্রর হাত-পা চেপে ধরেন এবং সেই অবস্থায় জ্যোতি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য জিতেন্দ্রর গলায় একটি মাফলার পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তারা প্রতিবেশীদের ডেকে নাটক করেন যে জিতেন্দ্র আত্মহত্যা করেছেন।

শুরুতে পুলিশ একে আত্মহত্যার প্ররোচনা হিসেবে মামলা করলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর তা সরাসরি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জ্যোতি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন যে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি এই কাজ করেছেন।

জিতেন্দ্র বেরেলির ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চুক্তিবদ্ধ কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং জ্যোতি উত্তরপ্রদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। 

এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যে জ্যোতি ও তার বাবা-মাকে গ্রেফতার করেছে, তবে তার ভাই দীপক এখনও পলাতক রয়েছে।








আরও খবর


সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com