প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১০ পিএম (ভিজিট : ৩০০)

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় দিন দিন বেড়েই চলেছে চুরি সংক্রান্ত ঘটনা। গরু ও মোটরসাইকেল চুরিসহ একের পর এক ঘটনায় সাধারণ মানুষ, খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব বালাগ্রাম চেয়ারম্যান পাড়া এলাকায় হাফিজুর রহমানের বাড়ির গোয়ালঘরের দিনের বেড়া কেটে মাদ্রাসা শিক্ষক শামীম নেওয়াজ ও সুমন নেওয়াজের পাঁচটি দেশি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই এলাকায় গরু খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়ে গেছে।
এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর (শনিবার) দুপুরে জলঢাকা পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন মসজিদের সামনে থেকে পৌরসভার আমরুল বাড়ি এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক রিংকুর একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। পরদিন ১৪ ডিসেম্বর (রোববার) বিকেলে জলঢাকা গ্যাস পাম্প সংলগ্ন গরু হাটির সামনে থেকে পৌরসভার চেরেঙ্গা ডাকুরডাঙ্গা এলাকার মনির উদ্দিনের ছেলে আতিকুল ইসলামের আরেকটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। একই রাতে ওই এলাকার ছিতা নন্দ রায়ের ছেলে সুশান্ত চন্দ্র রায়ের গোয়ালঘরের বেড়া কেটে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা।
এভাবে প্রতিদিন একের পর এক চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীসহ গোটা উপজেলার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অনেকেই রাতে পাহারার ব্যবস্থা জোরদার করলেও চুরি ঠেকাতে তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য যোগদানকারী জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, “আমরা চোরদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। তবে প্রয়োজনের তুলনায় থানায় পুলিশ সদস্য কম থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তারপরও আশা করছি খুব শিগগিরই চোরদের আটক করে চুরি সংক্রান্ত ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো।”