প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৬ এএম (ভিজিট : ১৯৮)

শেরপুর সদর উপজেলার চকসাহাব্দী গ্রামে জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোছাঃ রাশেদা বেগম(৫০) নামে একজন আহত হয়েছেন।
আহত রাশেদা বেগম কে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখিত, আমি মোঃ হেদায়তুল্লাহ হেদা, পিতা- মৃত রহুল আমিন, সাং-চকসাহাব্দী, থানা ও জেলা- শেরপুর ৷ এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে,আহত রাশেদা বেগম আমার স্ত্রী ৷ পূর্ব হইতে এনায়েতুল্লাহ(৫০) ও সুলতান (৪৬) উভয়ের সাথে আমার জায়গা জমির বিষয় নিয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারী রাতে আমি নিজ বাড়ী হইতে এশার নামাজ আদায় করার জন্য স্থানীয় জামে মসজিদে যাই এবং আমার স্ত্রী পান ক্রয় করার জন্য বাড়ীর পাশে হাসেন আলীর দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
পথিমধ্যে উৎপাতিয়া থাকা উপরোক্ত সুমন মিয়া সহ উল্লেখিত দুইজনের হাতে লাঠি, লোহার রড ইত্যাদিতে সজ্জিত হইয়া আমার স্ত্রীর গতিরোধ করিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। তখন আমার স্ত্রী তাদের গালমন্দের প্রতিবাদ করিলে এনায়েত ও সুলতান হুকুম দেয় যে, শালিরে খুন করিয়া ফেল, এই হুকুম পাইয়া সুমন তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্ত্রী র মাথা লক্ষ্য করিয়া স্বজোরে বারি মারিলে সে উক্ত বারি তাহার বাম হাত দ্বারা ফিরাইলে উক্ত বারি তাহার কব্জির উপরে লাগিয়া গুরুতর হাড় ভাংগা জখম হয়।
ঐ অবস্থায় তাহাদের হাতে থাকা লাঠি লোহার রড ইত্যাদি দ্বারা এলোপাথারী ভাবে বাইরাইয়া আমার স্ত্রী র শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা ও বেদনাযুক্ত জখম করে। তার ডাকচিৎকার শুনিয়া আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া সন্ত্রাসীদের কবল হইতে তাকে উদ্ধার করে। ঐ সময় তাদের হাতে থাকা লাঠি লোহার রড ইত্যাদি উচাইয়া প্রকাশ্যে হুমকি দিয়া বলে যে, সময় সুযোগমত পাইলে খুন করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে। অতঃপর আমি নামাজ শেষে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে অটোরিক্সা যোগে চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে আনিয়া ভর্তি করি। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ নাসিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,আমি হামলার ঘটনা সম্পর্কে অবগত না তবে তাদের পূর্বের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন থেকে চলছে ৷
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।