প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১২:০১ এএম (ভিজিট : ৯১)

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস–২০২৬। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল “Give to Gain” । এ উপলক্ষে ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নারীদের অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের স্কুল অব হেলথ সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন। তিনি বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে নারীদের নেতৃত্ব আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন। সমতা, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমে নারীদের অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এবারের আয়োজনটি ছিল কিছুটা ভিন্নধর্মী। নারী সদস্যদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরুষ কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়, যাতে নারীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, অভিজ্ঞতা ও সম্মানবোধ নিয়ে মতামত তুলে ধরা যায়। এতে একটি উন্মুক্ত ও আন্তরিক আলোচনা পরিবেশ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান। তিনি বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে নারী ও পুরুষ উভয়ের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের সক্ষমতা উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে এসইউবি সবসময় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও উল্লেখ করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হোসাইন এবং এ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার ফারহানা শারমিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং একাডেমিয়া ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। আলোচনায় বক্তারা নারীদের পেশাগত অগ্রগতি, নেতৃত্ব ও মেন্টরশিপের গুরুত্ব এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে মত প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কুইজ ও গেম শোর আয়োজন করা হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে উপহার প্রদান করা হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীদের অগ্রগতির পথকে আরও সুগম করার পাশাপাশি সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়। স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ একাডেমিয়ায় নারীদের আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।