গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: গণমাধ্যমের সামনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী      পারস্য উপসাগরের ছোট্ট খারগ দ্বীপে কেন নজর পড়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের?      স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার কে হবেন, চূড়ান্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী      স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি      মোজতবা খামেনিকে উত্তর কোরিয়ার সমর্থন, মার্কিন হামলার নিন্দা      আকাশে ‘ডুমস্ডে প্লেন’: পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি আমেরিকার?      দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বাড়লো স্বর্ণের দাম      
জ্বালানি সংকটে স্বস্তির খবর: ১১ দিনে দ্বিতীয় জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, কাটছে তেলের দুশ্চিন্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৪ এএম   (ভিজিট : ১০৫)

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে লিয়ান হুয়ান হু নামক আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজের আগমন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ট্যাংকারটি বন্দরে পৌঁছানোর পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকেই জ্বালানি খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবার ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে শিউ চি নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল। এই নতুন চালানের ফলে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আরও তিনটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে এসপিটি থেমিস আগামী ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। 

এ ছাড়া ১৩ মার্চ র‍্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামের আরও দুটি ট্যাংকার বন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যার প্রতিটিতে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এই পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হচ্ছে।

বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, নতুন আসা এই পাঁচটি ট্যাংকারের ডিজেল দিয়ে দেশের বর্তমান চাহিদার নিরিখে অন্তত ১২ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। তবে বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার দীর্ঘমেয়াদি মজুত নিশ্চিত করতে গত রোববার থেকে দৈনিক ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ কমিয়ে ৯ হাজার মেট্রিক টনে নামিয়ে এনেছে। 

সরকারের এই সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকলে বর্তমানে আসা ডিজেল দিয়ে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। ফলে নতুন আসা এই বিশাল চালানের পর সব মিলিয়ে দেশের প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণ নিয়ে আর কোনো শঙ্কা থাকবে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সোমবার প্রথম জাহাজটি আসার পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জ্বালানি খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবারের দ্বিতীয় জাহাজটির খালাস প্রক্রিয়াও সচল রয়েছে এবং পরবর্তী জাহাজগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে। 

এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার ফলে বাজারে যে কৃত্রিম সংকট বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা প্রশমিত হবে বলে মনে করছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দর ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।








আরও খবর


সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com