| শিরোনাম: |

নিয়মিত ভোরে ঘুম থেকে ওঠা শরীরের জৈবঘড়িকে সঠিকভাবে পরিচালিত করে। এতে শরীরে অলসতা কমে, কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং সারাদিন কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
পানি পান দিয়ে দিনের শুরুঘুম থেকে উঠে এক থেকে দুই গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করলে শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হতে সাহায্য করে। এটি হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
হালকা ব্যায়াম ও হাঁটার গুরুত্বসকালে অন্তত ২০–৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে। নিয়মিত ব্যায়ামে রক্তসঞ্চালন ভালো হয় এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি কমে।
সকালের রোদ ও তাজা বাতাসসকালের সূর্যালোক ভিটামিন–ডি তৈরিতে সহায়ক, যা হাড় মজবুত করে। তাজা বাতাসে কিছু সময় কাটালে ফুসফুস ভালোভাবে কাজ করে এবং মানসিক প্রশান্তি আসে।
পুষ্টিকর নাশতার প্রয়োজনীয়তাসকালের নাশতা শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। পুষ্টিকর নাশতা গ্রহণ করলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে। ডিম, ফল, দুধ ও শস্যজাত খাবার নাশতায় রাখা উপকারী।
মানসিক শান্তির চর্চাসকালে কিছু সময় ধ্যান, প্রার্থনা বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে মন শান্ত থাকে এবং ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়।
মোবাইল ব্যবহার সীমিত করাঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ফোন ব্যবহার মানসিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তাই সকালবেলায় অন্তত প্রথম এক ঘণ্টা মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
দিনের পরিকল্পনা করাসকালে দিনের কাজের একটি সংক্ষিপ্ত পরিকল্পনা তৈরি করলে সময়ের সঠিক ব্যবহার হয় এবং কাজের চাপ কমে যায়।
উপসংহারসুস্থ জীবনযাপনের জন্য সকালবেলার স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন। নিয়মিত এসব অভ্যাস অনুসরণ করলে শরীর ও মন দুটোই থাকবে সুস্থ, সক্রিয় ও প্রাণবন্ত।
