| শিরোনাম: |

প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। চিকিৎসকরা বলেন, ঘুমের এই পর্যাপ্ত সময় না হলে শরীর ও মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। এর ফলে স্ট্রেস হরমোন কোর্টিসল বেশি হয়, যা মানসিক চাপ বাড়ায়।
মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাবঘুমের অভাব থাকলে মন খারাপ, বিরক্তি, উদ্বেগ এবং হতাশা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক চাপ কমাতে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
কাজের মান ও স্মৃতিশক্তিপর্যাপ্ত ঘুম না হলে কর্মদক্ষতা কমে যায়। মনোযোগ হারানো, ভুল করা এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া সাধারণ সমস্যা। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতে পর্যাপ্ত ঘুম পান না, তারা কাজের মান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় ভুল করেন।
ঘুমের অভ্যাস ঠিক রাখার পরামর্শপ্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং উঠার অভ্যাস করুন।
ঘুমের আগে মোবাইল, টিভি বা কম্পিউটার ব্যবহারে সীমা রাখুন।
কফি বা চা কম খান এবং রাতে ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।
হালকা ব্যায়াম বা ধ্যান ঘুমের গুণমান উন্নত করতে সাহায্য করে।
উপসংহারশারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। ঘুমের অভাবে মানসিক চাপ বাড়ে, মনোযোগ কমে এবং সারাদিনের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই নিয়মিত, পর্যাপ্ত ও শান্তিপূর্ণ ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
