| শিরোনাম: |

নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা মানুষের মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও আত্মসমালোচনা বৃদ্ধি করতে পারে। বিশেষ করে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে “পারফেকশন” দেখানোর প্রবণতা মানুষকে নিজেকে অপর্যাপ্ত মনে করায়।
সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবসোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী নেটিজেনরা প্রায়ই নিজেদের জীবন অন্যের সঙ্গে তুলনা করেন। এতে সেলফ-ওর্থ বা আত্ম-মূল্য কমে যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বেশি সময় অনলাইন স্ক্রিনে কাটান, তারা প্রায়শই উদ্বেগ ও হতাশার সমস্যায় ভুগেন।
আত্মসমালোচনা ও মানসিক চাপনিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করার ফলে আত্মসমালোচনা বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ করতে পারে এবং ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত “পারফেক্ট” জীবন দেখালে ব্যবহারকারীরা তাদের বাস্তব জীবনকে মূল্যহীন মনে করতে শুরু করে।
ডিজিটাল স্বাস্থ্য রক্ষা করার উপায়ডিজিটাল ব্রেক নিন: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বন্ধ করুন।
পজিটিভ কনটেন্ট ফলো করুন: নেতিবাচক বা অবাস্তব কনটেন্ট কমিয়ে মানসিক শক্তি বাড়ান।
নিজের সীমানা নির্ধারণ করুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় সীমিত করুন।
রিয়েল-লাইফ ইন্টারঅ্যাকশন বাড়ান: পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটান।
উপসংহারসোশ্যাল মিডিয়া আজকের যুগের একটি শক্তিশালী টুল। তবে ব্যবহার যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা মানসিক চাপ ও আত্মসমালোচনা বাড়াতে পারে। ডিজিটাল মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সোশ্যাল মিডিয়ার সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা, পজিটিভ কনটেন্ট ফলো করা এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ককে শক্তিশালী করা গুরুত্বপূর্ণ।
