গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: ধর্মমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ      প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখন জনতার অবিসংবাদিত নেতা-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী      ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন ডিন হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. আজিম এর যোগদান      আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে নবনিযুক্ত ছয় সিটি প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ      ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে ৭ আরোহী নিহত       দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, সংসদ ঠিক করবে : মির্জা ফখরুল      
জলঢাকা আসনে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস, গেমচেঞ্জার হতে পারেন সনাতনী ভোটাররা
বিধান চন্দ্র রায়, জলঢাকা ( নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
প্রকাশ: রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৭ পিএম   (ভিজিট : ৪৪৩)

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে উত্তাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, চতুর্মুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও মূল লড়াই এখন দ্বিমুখী রূপ ধারণ করেছে। কে হবেন শেষ পর্যন্ত বিজয়ী—এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও চলছে নানা হিসাব–নিকাশ।

নীলফামারী-৩ আসনটি গঠিত হয়েছে জলঢাকা পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ওবায়দুল্লাহ সালাফী, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোঃ আমজাদ হোসেন (সরকার), এবং লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত মোঃ রোহান চৌধুরী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াত পৃথকভাবে থাকলেও উভয় দলের কর্মী-সমর্থকরা মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে জলঢাকা পৌর শহর ও আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে প্রচারণার তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যকার প্রতিযোগিতাই আসনটিকে দ্বিমুখী করেছে। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে সনাতনী (হিন্দু) ভোটারদের অবস্থান। জলঢাকা উপজেলায় প্রায় ৭০ হাজার সনাতনী ভোটার রয়েছেন, যারা সাধারণত সংগঠিতভাবে ভোট দিয়ে থাকেন। 

একাধিক স্থানীয় বিশ্লেষক জানান, সনাতনী ভোটাররা প্রার্থী, এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সংখ্যালঘু স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন। শেষ মুহূর্তে এই ভোটব্যাংক কোনো এক পক্ষের দিকে একত্রীভূত হলে নির্বাচনের ফলাফল নাটকীয়ভাবে পাল্টে যেতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের এক নেতা বলেন,
“বিএনপি ও জামায়াত আলাদা প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকায় ভোট বিভাজনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে সনাতনী ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত এই আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।”

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮শ ১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ৭শ ২৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২৫ হাজার ৮৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সাধারণ ভোটারদের বড় অংশ মনে করছেন, জলঢাকায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে দাঁড়িপাল্লা ও ধানের শীষের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে জয় আসে, তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিন ব্যালট বাক্সেই।









আরও খবর


সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com