গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: ধর্মমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ      প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখন জনতার অবিসংবাদিত নেতা-- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী      ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন ডিন হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. আজিম এর যোগদান      আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে নবনিযুক্ত ছয় সিটি প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ      ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে ৭ আরোহী নিহত       দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, সংসদ ঠিক করবে : মির্জা ফখরুল      
শিবচরে ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে সেচ সহায়তা সরঞ্জাম ও এলএলপি ক্যানভাস পাইপ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন
অপি মুন্সী : শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:-
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫২ এএম   (ভিজিট : ১১১)

পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদী বেষ্টিত মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার  চর অঞ্চলে  ফসলের সমারোহ। এক সময়ের পতিত ও গো-চারণভূমি চরগুলোতে এখন ফলছে বিভিন্ন ফসল। বুধবার ১৮ই ফেব্রুয়ারী সকাল ১২ টার দিকে শিবচর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে  ৪৮টি ব্লকে ৩৩৬ জন চর অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এলএলপি সেট ও ক্যানভাস পাইপ বিতরণ এর মধ্যে দিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন  করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপ পরিচালক বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প, কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান,অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,খামারবাড়ি, মাদারীপুর কৃষিবিদ জীবাংশু দাস,মনিটরিং এন্ড ইভাল্যুয়েশন অফিসার বাংলাদেশ চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি  সম্প্রসারণ প্রকল্প। 

এর ফলে কৃষকগন বিভিন্ন  ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। বর্তমানে এসব চরে বছরে একাধিক  ফসল উৎপাদন হচ্ছে। এতে চাঙ্গা হচ্ছে চরাঞ্চলের অর্থনীতি। উপজেলার বিভিন্ন  চরাঞ্চলে ব্যাপক হারে ধান, পাট, বাদাম ও মিষ্টিকুমড়া চাষ হচ্ছে। চরের জমিতে বছরে তিনবার ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে, যা কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় জেগে ওঠা চরের জমি চাষাবাদের উপযোগী করতে ৫ বছরের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। প্রকল্পটি ২০২৩-২৪ সালে শুরু হয়েছে। শেষ হবে ২০২৮-২৯ সালে। ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীতে জেগে উঠা চরে কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি শেষ হলে চরের প্রায় শতভাগ জমিকে কৃষি উৎপাদনের জন্য তৈরি করা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ চরাঞ্চলের কৃষিব্যবস্থায় একটি বিপ্লব ঘটাবে। কৃষকদের জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।


 প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আধুনিক কৃষিতে চর অঞ্চলের কৃষকদের দক্ষতা বাড়বে। মাঠ দিবস, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় ঘটানোই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। থাকবে প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রদর্শনী, সোলার আলোক ফাঁদ, এলএলপি বিতরণ এবং ফার্মারস ফ্যাসিলিটিস শেড নির্মাণ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলিমুজ্জামান খান বলেন, প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে , চর এলাকার উপযোগী আখ, পাট, কালোজিরা, ভুট্টা, মিষ্টি আলু, সূর্যমুখী, মরিচ, মটরশুঁটি, মুগ, সরিষা, মসুর, সয়াবিন, তরমুজ, মাল্টা, পেয়ারা ও আম চাষের ফলন বাড়ানো। এবং চর অঞ্চলকে আধুনিক কৃষির আওয়তায় নিয়ে আশা।









আরও খবর


সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com