গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: সংসদের প্রথম দিনেই বিরোধী দলের ওয়াকআউট      ইরানের সাইবার হামলায় ইসরাইলের রেলব্যবস্থা অচল      বৈষম্যহীন-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই জুলাই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধের উপায়: জোনায়েদ সাকি      ইসরায়েলি গোয়েন্দা সদরদপ্তরে হামলার দাবি ইরানের      স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন চীনের      ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা      ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত      
ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম   (ভিজিট : ১২৫)

পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ বিশ্লেষণে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান বিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে আমেরিকার অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচ্চ-রেজোলিউশনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও এবং মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের বিবৃতির ভিত্তিতে এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।



প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে মার্কিন সেনাদের আবাসন লক্ষ্য করে গত ১ মার্চের ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন এবং ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। একই দিনে সৌদি আরবে অবস্থিত আরেকটি মার্কিন ঘাঁটিতে পৃথক হামলায় আরও একজন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানের এই হামলার তীব্রতা ও ব্যাপকতা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যতটা ধারণা করেছিলেন, তেহরান তার চেয়ে বহুগুণ বেশি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রথম দিনেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি আল-উদেইদসহ প্রিন্স সুলতান, আলী আল-সালেম এবং ক্যাম্প বুহরিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে আঘাত হানা হয়।



হামলায় শুধু প্রাণহানিই নয় বরং বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে পেন্টাগন। কংগ্রেসের কাছে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে ২৮ ফেব্রুয়ারির একটি মাত্র হামলায় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আল-উদেইদ এবং আল-ধফরার মতো বেশ কিছু ঘাঁটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। 



ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ছিল আমেরিকার ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের রাডার ইউনিট এবং যোগাযোগ অবকাঠামো। স্যাটেলাইট চিত্রে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে একটি থাড রাডার সেন্সর ধ্বংস হওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে, যার একটির মূল্যই প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া কাতারে অবস্থিত ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘ পাল্লার রাডার সিস্টেমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 










সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com