গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম: গণমাধ্যমের সামনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী      পারস্য উপসাগরের ছোট্ট খারগ দ্বীপে কেন নজর পড়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের?      স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার কে হবেন, চূড়ান্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী      স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি      মোজতবা খামেনিকে উত্তর কোরিয়ার সমর্থন, মার্কিন হামলার নিন্দা      আকাশে ‘ডুমস্ডে প্লেন’: পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি আমেরিকার?      দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বাড়লো স্বর্ণের দাম      
আগামীকাল যাদু মিয়ার ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী বিভাজন নয়, প্রয়োজন ঐক্যের রাজনীতি : বাংলাদেশ ন্যাপ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম   (ভিজিট : ১০৮)

প্রগতিশীল, জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহানায়ক, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র মন্ত্রী জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ১২ মার্চ।

গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এই নায়ক ১৯২৪ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন রংপুর জেলা আজকের নীলফামারী জেলার ডিমলার খগাখড়িবাড়ীর সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ওসমান গনি ও মা আবিউননেছা। ১৯৭৯ সালের ১২ মার্চ জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে যাদু মিয়া ইন্তেকাল করেন। ৪০-শেষের দিকে তিনি ইয়াং ম্যান অ্যাসোসিয়েশন অব পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান ছিলেন। তিনি ৫০ দশকের শেষ দিকে রংপুর জেলা বোর্ডের কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

৬০-এর দশকের শেষের দিকে মশিউর রহমান যাদু মিয়া ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ও আইয়ুব বিরোধী ১১ দফা আন্দোলনে তিনি জাতীয় পরিষদের ভেতরে ও বাইরে সোচ্চার দাবি উপস্থাপন করেন এবং মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আহ্বানে জাতীয় পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৬৯ সালে লায়েলপুরে কৃষক সম্মেলনে ইয়াহিয়া খানকে গাদ্দার বলার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭৭ সালে প্রগতিশীল, দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তির সমন্বয়ে প্রথমে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট ও পরে জাতীয়তাবাদী দল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।

মওলানা ভাসানীর ইন্তেকালের পর ন্যাপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় সিনিয়র মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ন্যাপ'র চেয়ারম্যান হিসাবে দলের প্রতীক 'ধাণের শীষ' জিয়াউর রহমান তথা বিএনপিকে প্রদান করেন।

কর্মসূচি : বাংলাদেশ ন্যাপ নীলফামারী (ডোমার-ডিমলা), রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় মরহুম যাদু মিয়া স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করেছে।

বিভাজন নয়, এখন প্রয়োজন ঐক্যের রাজনীতি : বাংলাদেশ ন্যাপ  

এদিকে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ'র শীর্ষ নেতৃদ্বয় জাতীয়তাবাদী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহান নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার অমলিন স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘দেশ-জাতি, গণতন্ত্রের স্বার্থে যাদু মিয়া যে ঐক্যের রাজনীতি শুরু করেছিলেন আজকের প্রেক্ষাপটেও তা অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক। জাতীয়তাবাদী ও ঐক্যের রাজনীতিতে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দক্ষিণ হস্ত হিসেবে যাদু মিয়ার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

বুধবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে বাদ দিয়ে জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস রচনা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি  মেধাবী ও দুরদর্শী রাজনীতিক হিসেবেই পরিচিত। আজীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন গণমানুষের মুক্তির জন্য। দেশ পরিচালনায় একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। প্রতিবাদে প্রতিরোধে ও সংগ্রামে তিনি কখনো পিছপা হননি। ’

তারা আরো বলেন, ‘দেশের এই মুহুর্তে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগনের স্বার্থে বিভাজন নয়, প্রয়োজন ঐক্যের রাজনীতি। বৈষম্যহীণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের রাজনীতির জন্যই যাদু মিয়া সংগ্রাম করেছেন। তার সেই সংগ্রামের পথ ধরেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। মওলানা ভাসানী-জিয়াউর রহমান-যাদু মিয়াদের স্মরণ করতে হবে আগামী বাংলাদেশকে রক্ষার জন্যই। তাদের প্রদর্শিত পথে দেশের পতাকা-মানচিত্র রক্ষায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘গত ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল নানা সংকট, বিভাজন ও দমন-পীড়নে চিহ্নিত। বিরোধী রাজনীতির ওপর কঠোর নজরদারি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ। নতুন বাংলাদেশ এসকল অভিযোগ থেকে নিজেদের মুক্ত থাকবে বলেই জনগন প্রত্যাশা করে।’











সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com