চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে
ন্যাশনাল ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি ফর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্ম (নিকার) এর আহবায়ক এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের কাছে স্মারকলিপিটি অগ্রাহায়ণ করা হয়।
এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন গ্রীন পলিসি মুভমেন্টের আহ্বায়ক মোঃ মহিউদ্দিন (বন্ধু)। তিনি জানান, ভৌগোলিক বিস্তৃতি, প্রশাসনিক গুরুত্ব, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে আলীকদমকে জেলা হিসেবে গঠন করা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক পদক্ষেপ হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে জেলা সদর থেকে দূরত্ব ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে স্থানীয় জনগণকে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। আলীকদমকে জেলা করা হলে প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
প্রস্তাবনায় আলীকদমকে একটি পরিকল্পিত “গ্রীন সিটি জেলা” হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এর আওতায় পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, আধুনিক প্রশাসনিক অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সবুজ উন্মুক্ত পার্ক, ইকো-ট্যুরিজম জোন এবং সোলার এনার্জি ভিত্তিক টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া স্মারকলিপিতে লামা উপজেলার ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় লামা থেকে নতুন একটি উপজেলা (সরই/গজালিয়া/আজিজনগর) সৃষ্টির প্রস্তাবও করা হয়েছে। একইসঙ্গে
প্রস্তাবিত “আলীকদম জেলা”র অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ১. আলীকদম, ২. থানচি, ৩.নাইক্ষ্যংছড়ি, ৪.লামা, ৫.সরই/গজালিয়া/আজিজনগর (লামা হতে প্রস্তাবিত)
৬.বাইশারী (নাইক্ষ্যংছড়ি হতে প্রস্তাবিত)বান্দরবান জেলায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে
১. বান্দরবান সদর
২. রুমা
৩. বোয়াংছড়ি
৪. জুরাছড়ি*
৫. বিলাইছড়ি*
৬. বরকল*
(*বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলা-এর অন্তর্ভুক্ত; প্রশাসনিক সুবিধার্থে পুনর্বিন্যাস প্রস্তাবিত)